প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

শুধু নামেই নয়, এ যেন আক্ষরিক অর্থেই আলোর বিদ্যায়তন। তবে না, ইশকুল বলে এতে নেই তথাকথিত পড়া মুখস্থ করার মানসিক যন্ত্রণা। বরং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত জ্ঞানার্জনের জন্য এখানে চলে শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলার প্রয়াস। বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন উদার ও আধুনিক মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাংস্কৃতিক ভবনে চলছে ‘আলোর ইশকুল’ নামে একটি উৎকর্ষধর্মী কর্মসূচি। ১ জুলাই থেকে এর তৃতীয় পর্বের ক্লাস শুরু হবে।

আলোর ইশকুল কী
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ‘আলোর ইশকুল’ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এবং ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের যেকোনো ব্যক্তি সদস্য হয়ে বিশ্বসংগীত, সাহিত্য, নৃত্য, চিত্রকলা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, সমাজবিদ্যা, অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, পরিবেশসহ বিভিন্ন শাখায় জ্ঞান আহরণের সুযোগ পেয়ে থাকেন। জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব শাখার ১০০টি উৎকর্ষ চক্রের মাধ্যমে সাত পর্বের এই আলোকযাত্রা প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে আবর্তিত হবে।

আলোর ইশকুলের পড়াশোনা
আলোর ইশকুলের পড়াশোনা চলে সমবেত ও আনন্দময় চালে। একে বরং পড়ালেখা না বলে পড়াশোনা বলাই অধিক যুক্তিসংগত। বক্তব্য শোনা ও মুক্ত আলোচনা এবং একই সঙ্গে দেখা, শোনা ও ভ্রমণই হলো এর মূল পাঠ্যক্রম। সব শেষে চলে সদস্যদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক মুক্ত আলোচনা থেকে যৌক্তিক তর্ক-বির্তক। এ ধরনের পাঠচক্রে বইপড়া, বক্তৃতা শোনা, আলোচনাপর্বে অংশগ্রহণ, দলীয়ভাবে প্রামাণ্যচিত্র-চলচ্চিত্র-নাটক দেখা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রকলা প্রদর্শনী উপভোগ, দলীয় ভ্রমণের মতো জ্ঞান অর্জনের বিভিন্ন শাখা রাখা হয় প্রাত্যহিক পাঠাভ্যাসে। এখানেই শেষ নয়, কী কী শেখা হলো আর জানা হলো তা লিখে জমা দিতে হয় শিক্ষার্থীদের।
ইতিমধ্যে আলোর ইশকুলের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এ ধরনের ৩০টি চক্র আয়োজিত হয়েছে। ছোট-বড় ১০০টি ‘উৎকর্ষ চক্র’র মাধ্যমে প্রতি পাঁচ বছরে একবার সম্পন্ন হবে এই আলোকযাত্রা। চক্রগুলো হবে দুই মাস থেকে এক বছরের। চক্রগুলো হলো: চলচ্চিত্র, আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন, ভারতীয় দর্শন, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সংগীত, শ্রেষ্ঠ বইয়ের ওপর বক্তৃতা, ভ্রমণ কর্মসূচি, প্রামাণ্যচিত্র, বিশ্বসাহিত্য, ফটোগ্রাফি, রাজনৈতিক অর্থনীতি, বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা ও মুক্ত আলোচনা, মহাকাব্য পাঠচক্র, স্থাপত্যের নান্দনিকতা, নাট্যানুষ্ঠান, আবৃত্তি অনুষ্ঠান ও কবিতা আস্বাদন।
এই চক্রগুলোতে সদস্যরা বিচিত্র বিষয়ের ওপর প্রায় আড়াই শ অনবদ্য ও স্বপ্নজাগানো বক্তৃতা শোনার সুযোগ পাবেন।
সম্মাননা
যাঁরা আলোর ইশকুল তৃতীয় পর্বে নির্বাচিত হবেন, তাঁরা ওই চক্রগুলো ছাড়াও আরও বিশেষ কিছু চক্রে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ২০টি চক্র সফলভাবে শেষ করলে মিলবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মর্যাদাসম্পন্ন সনদ, সঙ্গে আলোর ইশকুলের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ।

সদস্য হতে চাইলে
আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন চক্র। যাঁরা আগ্রহী তাঁরা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত আটটার মধ্যে চলে আসুন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অভ্যর্থনা কক্ষ ‘সুরঞ্জনা’তে।

যোগাযোগ
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, ১৭ ময়মনসিংহ রোড, বাংলামোটর, ঢাকা। এ ছাড়া ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৬৬০৮১২, ৫৮৬১১৯৪০ নম্বরে।

শুধু নামেই নয়, এ যেন আক্ষরিক অর্থেই আলোর বিদ্যায়তন। তবে না, ইশকুল বলে এতে নেই তথাকথিত পড়া মুখস্থ করার মানসিক যন্ত্রণা। বরং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত জ্ঞানার্জনের জন্য এখানে চলে শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলার প্রয়াস। বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন উদার ও আধুনিক মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাংস্কৃতিক ভবনে চলছে ‘আলোর ইশকুল’ নামে একটি উৎকর্ষধর্মী কর্মসূচি। ১ জুলাই থেকে এর তৃতীয় পর্বের ক্লাস শুরু হবে।


আলোর ইশকুল কী

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ‘আলোর ইশকুল’ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এবং ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের যেকোনো ব্যক্তি সদস্য হয়ে বিশ্বসংগীত, সাহিত্য, নৃত্য, চিত্রকলা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, সমাজবিদ্যা, অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, পরিবেশসহ বিভিন্ন শাখায় জ্ঞান আহরণের সুযোগ পেয়ে থাকেন। জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব শাখার ১০০টি উৎকর্ষ চক্রের মাধ্যমে সাত পর্বের এই আলোকযাত্রা প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে আবর্তিত হবে।


আলোর ইশকুলের পড়াশোনা

আলোর ইশকুলের পড়াশোনা চলে সমবেত ও আনন্দময় চালে। একে বরং পড়ালেখা না বলে পড়াশোনা বলাই অধিক যুক্তিসংগত। বক্তব্য শোনা ও মুক্ত আলোচনা এবং একই সঙ্গে দেখা, শোনা ও ভ্রমণই হলো এর মূল পাঠ্যক্রম। সব শেষে চলে সদস্যদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক মুক্ত আলোচনা থেকে যৌক্তিক তর্ক-বির্তক। এ ধরনের পাঠচক্রে বইপড়া, বক্তৃতা শোনা, আলোচনাপর্বে অংশগ্রহণ, দলীয়ভাবে প্রামাণ্যচিত্র-চলচ্চিত্র-নাটক দেখা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রকলা প্রদর্শনী উপভোগ, দলীয় ভ্রমণের মতো জ্ঞান অর্জনের বিভিন্ন শাখা রাখা হয় প্রাত্যহিক পাঠাভ্যাসে। এখানেই শেষ নয়, কী কী শেখা হলো আর জানা হলো তা লিখে জমা দিতে হয় শিক্ষার্থীদের।

ইতিমধ্যে আলোর ইশকুলের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এ ধরনের ৩০টি চক্র আয়োজিত হয়েছে। ছোট-বড় ১০০টি ‘উৎকর্ষ চক্র’র মাধ্যমে প্রতি পাঁচ বছরে একবার সম্পন্ন হবে এই আলোকযাত্রা। চক্রগুলো হবে দুই মাস থেকে এক বছরের। চক্রগুলো হলো: চলচ্চিত্র, আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন, ভারতীয় দর্শন, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সংগীত, শ্রেষ্ঠ বইয়ের ওপর বক্তৃতা, ভ্রমণ কর্মসূচি, প্রামাণ্যচিত্র, বিশ্বসাহিত্য, ফটোগ্রাফি, রাজনৈতিক অর্থনীতি, বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা ও মুক্ত আলোচনা, মহাকাব্য পাঠচক্র, স্থাপত্যের নান্দনিকতা, নাট্যানুষ্ঠান, আবৃত্তি অনুষ্ঠান ও কবিতা আস্বাদন।

এই চক্রগুলোতে সদস্যরা বিচিত্র বিষয়ের ওপর প্রায় আড়াই শ অনবদ্য ও স্বপ্নজাগানো বক্তৃতা শোনার সুযোগ পাবেন।

সম্মাননা

যাঁরা আলোর ইশকুল তৃতীয় পর্বে নির্বাচিত হবেন, তাঁরা ওই চক্রগুলো ছাড়াও আরও বিশেষ কিছু চক্রে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ২০টি চক্র সফলভাবে শেষ করলে মিলবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মর্যাদাসম্পন্ন সনদ, সঙ্গে আলোর ইশকুলের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ।


সদস্য হতে চাইলে

আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন চক্র। যাঁরা আগ্রহী তাঁরা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত আটটার মধ্যে চলে আসুন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অভ্যর্থনা কক্ষ ‘সুরঞ্জনা’তে।


যোগাযোগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, ১৭ ময়মনসিংহ রোড, বাংলামোটর, ঢাকা। এ ছাড়া ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৬৬০৮১২, ৫৮৬১১৯৪০ নম্বরে।